বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সরকারের উচিত দেশবাসীকে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক থেকে মুক্তি দেয়া। (AMARBLOG ২০/০৯/২০১০ - ০৭:৪৩)

সরকারের উচিত দেশবাসীকে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক থেকে মুক্তি দেয়া।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

https://www.amarblog.com/gmail/posts/116401

অ্যানথ্রাক্স প্রচারণায় পথে বসছে গোশত ব্যবসায়ী, কৃষক।

চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে দেশের দরিদ্র থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণী। সরকারের সমন্বয়হীনতা এবং স্পষ্ট ও দৃঢ় ভূমিকা না নেয়ার জন্যই এরূপটি হচ্ছে। সরকারের উচিত কথিত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেশবাসীকে অযথা অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক থেকে মুক্তি দেয়া।



অ্যানথ্রাক্স মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, অ্যানথ্রাক্স এখন পর্যন্ত কোন মানুষের মৃত্যু ঘটেনি। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। রোগটি শতভাগ নিরাময়যোগ্য। সুস্থ গবাদিপশুর গোশত খাওয়া যাবে। আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গবাদিপশুর শরীরে রোগের উপসর্গ ফুটে ওঠে। আর আক্রান্তের মাত্র দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে পশুটির মৃত্যু ঘটে। এ রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু খুব তাড়াতাড়ি চেনা যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধ কার্যক্রমে কোন সমন্বয় থাকছে না। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চলছে নিজ নিজ পথে। এই দুটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় না থাকলে অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ উঠেছে, রেড এলার্ট জারি করার আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোন আলোচনা করেনি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় যেভাবে বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ততটা দিচ্ছে না। আক্রান্ত মানুষ ও গবাদিপশুর সন্ধান ও চিকিৎসা দেয়ার মধ্যে দুটি মন্ত্রণালয় তাদের দায়িত্বপালন সীমাবদ্ধ রেখেছে। সরকারি উদ্যোগে জবাইয়ের আগে গবাদিপশুর মেডিক্যাল পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াই চলছে গবাদিপশু জবাই ও বাজারজাতকরণ। অসুস্থ গবাদিপশুর গোশত খাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাধারণ মানুষ কিভাবে গবাদিপশুর সুস্থতা যাচাই করবে, তার কোন দিক নির্দেশনা দিতে পারেনি সরকার। এ সব কারণেই আস্থা ফিরে পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ গবেষণা কেন্দ্রের (আইইডিসিআর) থেকে বলা হয়েছে, তড়কা (অ্যানথ্রাক্স) নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ রোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এ্যানথ্রাক্সে এখন পর্যন্ত কোন মানুষের মৃত্যু ঘটেনি। এ রোগে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি নেই বললেই চলে। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। রোগটি শতভাগ নিরাময়যোগ্য। আক্রান্ত মানুষের জন্য ১০ দিনের একটি প্যাকেজ চিকিৎসা রয়েছে। চিকিৎসা নিলে খুব তাড়াতাড়ি মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠে।

দেশে অ্যানথ্রাক্স নতুন কোন রোগ নয়। এর আগে গবাদিপশু, মানুষ ও হাতির শরীরে দেখা দিয়েছিল। এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এজন্য দরকার সতর্কতা ও সঠিক সময়ে যথাযথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। গোশত রান্নার সময় কম তাপমাত্রা থাকলে জীবাণু মরে না। বিদেশে আধা সিদ্ধ করায় এ ঝুঁকি রয়ে যায়। কিন' বাংলাদেশে রান্নার সময় যে পরিমাণ তাপ দেয়া হয়, তাতে এ ঝুঁকি থাকে না। আর সময়মতো চিকিৎসা করলে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে না।

কিন' এসব অভয় বাণীতেও থামছে না সাধারণের আতঙ্ক। গবাদিপশুর গোশত খাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক এলাকায়। দাম কমেছে গরু ও ছাগলের। হোটেল-রেস্টুরেন্টে গরু-খাসির গোশতের চাহিদা কমে গেছে। গোশত ব্যবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে।

গোশত ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে। কিন' সরকার তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। অবশেষে বাধ্য হয়ে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতি। অ্যানথ্রাক্সের নামে আতঙ্ক ছড়ানো গরুর গোশতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলে দাবি করে সমিতির নেতারা সরকার ও গণমাধ্যমের কাছে এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

গত শুক্রবার বিকেলে গাবতলী পশুর হাটে বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতি অ্যানথ্রাক্সের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেখানে গোশত ব্যবসায়ীরা ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বলেন, এর মধ্যে সরকার কোনো উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে।

সভায় সমিতির নেতারা উদাহরণ টেনে বলেন, পোশাকশিল্পের সমস্যা সরকার সমাধান করেছে। অ্যানথ্রাক্স-সমস্যাও সরকারকে ১৫ দিনের মধ্যে সমাধান করতে হবে। গরুর গোশতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ না করলে সারা দেশে একযোগে আন্দোলন শুরু করা হবে।

বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির বলেন, অ্যানথ্রাক্স নিয়ে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ থেকে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় গরুর গোশত বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা গেছে, অ্যানথ্রাক্স আতঙ্কের আগে রাজধানীর প্রায় পাঁচ হাজার গোশতের দোকানে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার গরু জবাই হতো। এখন এ সংখ্যা ২শ’তে নেমে এসেছে। এতে গোশত বিক্রির পেশার সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৫ হাজার মানুষের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

গাবতলী পশুর হাট কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী কোরবানি ঈদের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকেরা বিপুলসংখ্যক গরু-ছাগল মজুদ করে রেখেছেন। অ্যানথ্রাক্স আতঙ্কের কারণে গাবতলী গরুর হাটে গরু আমদানি ও বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

অথচ অ্যানথ্রাক্স একটি সাধারণ রোগ। রাজধানীতে এখনও অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে সরকার ও গণমাধ্যম মিলে এর সঞ্চালনকে ভয়াবহ বলে প্রচার করছে। তাই মানুষ গোশত কিনছে না।

গোশত ব্যবসায়ী সমিতি বলেছেন, গোশত ব্যবসায়ীরা এবার ঈদ করতে পারেননি। কারণ, মানুষ গরুর গোশত কিনছে না। এ সবই ষড়যন্ত্রের অংশ। সে সব ষড়যন্ত্রকারীকেও আমরা চিনি। তাদেরকে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।

কিছুদিন গোশত না খাওয়ার পরামর্শ দেয়ার জন্য তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করেন।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পশু চিকিৎসকও ব্যক্ত করেছে, ভাল করে গোশত রান্না করলে অ্যানথ্রাক্সে জীবাণু আর থাকে না। এতে কেউ মারা যাবে না। পশুর দেহে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমিত হলে একদিনের মধ্যেই মারা যায়। এ কারণে গরুর মালিকও যথাসময়ে রোগ শনাক্ত করতে পারে না। তাই অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরু ঢাকায় এনে বিক্রির সম্ভাবনা নেই।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গোশত ব্যবসায়ী সমিতি বলেছেন, গোশত ব্যবসায়ীরা এবার ঈদ করতে পারেননি। কারণ, মানুষ গরুর গোশত কিনছে না। এ সবই ষড়যন্ত্রের অংশ। সে সব ষড়যন্ত্রকারীকেও আমরা চিনি। তাদেরকে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।
    
**************************************************************************
কি জানি কি মঞ্চায়.........

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উনি ওনেক কষ্ট কইরা কপি পেষ্ট আদামাদা লেখছেন - উনারে - লাইক দেন।



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পৃথিবীটা হচ্ছে একটা উর্বর খামাড় যেখানে মানুষ নামের প্রাণীগুলো বিভিণ্ন মতবাদে নিজেরাই নিজেদের মুরগী বানিয়ে রেখেছে!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হরতাল দিয়া দেন,আতংক অন্য আতংকে পরিনত হবে।
___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(N) (N) (N)
............................................................................................................
ভালোবাসা মানে আগাম চলার সুর,ভালোবাসা মানে অবিরাম চলাবসা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরকারের এত সময় নাই এইসব বিষয় নিয়া চিন্তা করার, তার ব্যাস্ত তাদের রাজনীতি নিয়া। মাংস সাধারন মানুষ খায় তারা খায় না। যদি পারেন, সাধারন জনগন কিভাবে এর সমস্যার সমাধান করবে সেই পথ বলে দেন আর যদি একেবারেই সরকারের সাহায্য প্রয়োজন হয়, তাইলে এর ভিতর কিভাবে রাজনীতি ঢুকানো যায় সেইটা চিন্তা করেন। এতদিন হইয়া গেল তারপরও সরকারের আশায় বসে আছেন? বিষয়টা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। যা কিছু করার সব আপনাদের আমাদেরই করতে হবে, এভাবে আগান দেখবেন আজ না হইলেও শতবর্ষ পরে আমাদের এই দেশ সমৃদ্ধি অজর্ন করছে। ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য এবং আমাদের আবার স্মরন করে দেওয়ার জন্য যে এরকম একটা ভয়ংকর সমস্যা নিয়া আমরা এখনো বহালতবিয়তে জীবনযাপন করতেছি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আরও অনেক সমস্যা নিয়ে আমরা বেঁচে আছে এবং এভাবেই থাকতে হবে ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের দেশে কোন সমস্যা সমাধানের দায়ভার এদেশের সরকারের নেই।এনত্রাক্স আতংক ছড়িয়ে দ্বায়িত্ব শেষ।যেন মানুষকে জানানোর মাঝেই সরকারী দ্বায়িত্ব খতম।কিন্তু কি এর প্রতিকার বা গরু ব্যবসায়ী বা কসাইদের কি হবে তা নিয়ে কোন দিক নির্দেশনা বা প্রতিকার নেই।এরই নাম বাংলাদেশ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কসাই গুলা ধর্মঘটে গেলে সাধারন মানুষ খুশিই হবে <:-P

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না, সবার হঠাৎ করে কসাইপ্রীতি হল কেন! আরে ভাই জিহ্বা যদি কয়দিন সামলে রাখার ফলে গরু ও গরুর মাংসের দাম কমে যায়, তাতে ক্ষতি কি?

এই কসাইরাই কি সেই প্রজাতির প্রানী না, যারা গরুর মাংসের দাম ১২০ টাকা থেকে চোখের পলকে ২৫০ টাকায় উঠিয়ে এনেছিল? তখন তারা যেহেতু চিন্তা করেনি যে এই বাড়তি দাম দিয়ে মাংস কেনা সাধারণদের পক্ষে অসম্ভব, তো এখন আমরা কেন এত মাথা ঘামাব? সহানুভূতির ব্যপার দুই পক্ষেই থাকা উচিৎ।

আমি জানি যে, অনেকেই অনেক যুক্তি দেখাবে দাম বাড়ার ব্যপারে। কিন্তু আসল ব্যপার হল যে, ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হবার পর অনেক বছর পার হয়েছে, তো এতদিনে আমাদের গরু পালকেরা গরুর সংখ্যা বাড়িয়ে যে স্বনির্ভরতা অর্জনের চেষ্টা করার দরকার ছিল তা করেনি। কারণ তাহলে যে গরুর মাংসের দাম কমে যাবে। আর আমাদের দেশের গরুদের কচুরীপানা আর ঘাস ছাড়া এমন আহামরি কিছু খাওয়ানো হয়না যে সেই খাদ্যের দাম বাড়ার ফলে গরুর দাম বাড়তে পারে।

গরু ব্যবসায়ীদের নেতারা সমাবেশ করে বলল যে, কেউ অ্যানথ্রাক্স এ আক্রান্ত হলে ৩০০/৩৫০ টাকার ঔষধ খেলেই সুস্থ হয়ে যাবে, এ কথার মাঝেই তো স্পষ্ট বোঝা যায় যে, আমরা যদি তাদের বিক্রি করা মাংস খাবার কারণে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হই তাতে তাদের কিছু যায় আসে না।

হয়তো অনেকেই বলবেন যে কসাইরা অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রি করবে না। কিন্তু বিশ্বাস করা কষ্ট। এই কসাইরাই আরিচা তে খাসীর মাংস বলে কুকুরের মাংস খাইয়েছিল সবাইকে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@কাল-পুরুষ, সহমত
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।

স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহরণ( AMARBLOG)

স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহরণ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাফির, মুশরিকরা স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহরণ করে ঈমানহারা করতে চায়



বেশ দীর্ঘকাল ধরেই দেখা যায়, আমাদের দেশের সহজ-সরল, কমলমতি মেধাবী সম্ভাবনাময় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে উচ্চ শিক্ষার নামে স্কলারশিপ বা বৃত্তি দিয়ে বিদেশ পাঠানো হচ্ছে। অথচ স্কলারশিপ বা বৃত্তির নামে এসব অর্থের প্রকৃত উৎস হলো- ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকদের ঝুটা-কাটা তথা ছদকা-খয়রাত।

নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, সেখানে যাওয়ার পর এসব ছাত্র-ছাত্রীদের এক প্রকার ব্রেইন ওয়াশসহ তাদেরকে সমস্ত প্রকার কুফরী, শিরকী এমনকি অশ্লীল-অশালীন, বেহায়া, বেপর্দাভাবে জীবনযাপন তথা অবৈধ নির্লজ্জ কর্মকাণ্ডে, অভ্যস্ত হওয়া, শরাব পান করা, শূকরের গোশত খাওয়া, জুয়া খেলাসহ সর্বপ্রকার চরিত্র ধ্বংস হওয়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

পাশাপাশি মুসলমানদেরকে কাফিরদের উপাসনালয়ে তাদের তথাকথিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে চাপ প্রয়োগ পর্যন্ত করে থাকে এইসব কাফির, মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যরা। নাঊযুবিল্লাহ!

প্রকৃতপক্ষে ইউরোপ-আমেরিকায় বিভিন্ন বিষয়ের উপর যে সমস্ত বইগুলো পড়ানো হয়, আমাদের দেশেও তাই রয়েছে। বরং দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের দেশ থেকে যা শিখে যাওয়া হয় তার অনেক কিছুই সেখানকার শিক্ষকরাও জানে না। তাছাড়া আমাদের দেশের শিক্ষার্থী মুসলমানদের ব্রেইন তুলনামূলকভাবে তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভাল। যার কারণে দেখা যায়, যে সকল শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়া-শুনা করে দেশে এসে থাকে তারা তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই শিখে আসতে পারে না। তারপরও এক প্রকার হুজুগ প্রবণতার কারণেই এ দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমায় কাফির, মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যদের দেশে।

অতএব, শতকরা ৯৫ ভাগেরও বেশি মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ সরকারসহ সকল শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব-কর্তব্য হবে কাফির, মুশরিকদের ধোঁকা-প্রতারণা বুঝা এবং তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বিদেশে যেয়ে চরিত্র নষ্ট করে আমল, ঈমানহারা না হয়ে এদেশে থেকেই সৎচরিত্রবান হয়ে হাক্বীক্বী মুসলমান হয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওরে ছাগল অফ যা     
____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইটা কি সিরিয়াস পোষ্ট?



সিরিয়াস হলে যারা ধর্মের বিরুদ্ধে সামান্য কিছু পেলেই হা হা করে ওঠেন, একে তাকে ব্যান করার দাবী জানান তারা কি বলেন জানতে খুব আগ্রহী।
------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, এখানে আর ওদের পাবেন না। দেখুন ওদেরই কেউ এই নিকে এসে পোষ্ট দিছে। কত্তবড় আহাম্মক হলে এই পোষ্ট দেওয়া যায়। না এই জাতির আর উন্নতি নেই। =((
____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@নিলাকাশ,



আহাম্মকই শুধু না। হিপোক্রীট দ্যা গ্রেট। কাফের নাসারাদের দেশে নানান দুই নম্বরী উপায়ে থানা গেড়ে বসে, তাদেরই নুন হাওয়া খেয়ে তাদের জাত তুলে গালিগালাজ করা এদের পক্ষেই সম্ভব।



এইরকম কয়েকজনকে চিনি কাফের নাসারার দেশে হিন্দু নামে এসেছে, বছরের পর বছর পরিবার নিয়ে সরকারের সোশাল সিকিউরিটির টাকায় চলে। কিন্তু কাফের নাসারাদের সব কিছুই খারাপ লাগে, উঠতে বসতে অহেতুক গালি দেওয়া ছাড়া পেটের ভাত হজম হয় না। এনারাই প্রকৃত ধার্মিক।
------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, এদের ধরে ধরে চাবকানো উচিৎ X(
____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

"বরং দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের দেশ থেকে যা শিখে যাওয়া হয় তার অনেক কিছুই সেখানকার শিক্ষকরাও জানে না। তাছাড়া আমাদের দেশের শিক্ষার্থী মুসলমানদের ব্রেইন তুলনামূলকভাবে তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভাল। যার কারণে দেখা যায়, যে সকল শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়া-শুনা করে দেশে এসে থাকে তারা তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই শিখে আসতে পারে না। তারপরও এক প্রকার হুজুগ প্রবণতার কারণেই এ দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমায় কাফির, মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যদের দেশে।"



        



আপ্নের মুস্লিম দেশগুলারে বলেন বেশি বেশি কইরা স্কলারশিপ দিতে, তাইলে আর ইহুদী-নাসারা-কাফের গো দেশে যাওন লাগবো না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@শ্রাবন্তী, নাগো ভইন, ধোনী মুসলিমরা এগো পছন্দ করে না। মিসকিন কয়.......
/* বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনও পিছে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি হাদিস কোরান চষে।*/

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই খানকীর পুতরে উষ্ঠায়া বাইর করা হউক ব্লগ থেকে, সবাই বলেন আলহামদুলিল্লাহ!
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝখানে নিরপেক্ষ অবস্থান মানে অন্যায়কে সমর্থন করা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খারাপ বলেননি। মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিয়ে যারা থাকে তারা মুসলমানদের যাকাত-দান-সদকা ইত্যাদির মাধ্যমে চলে, আর যারা বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যায় তারা কাফিরদের দান-সদকা তথা সোস্যাল ফান্ড এর সাহায্য নিয়ে চলে থাকে। ভাষায় তারতম্য। ইসলামের আলোকে যাকাত-দান-সদকা-ফিতরা নিয়ে পড়াশুনা করা মুসলমানদের জন্য উত্তম, যাহেতু এগুলো হালাল হওয়া বাঞ্জনীয়। অপরদিকে কাফিরদের সেই সহযোগিতা্র উৎসে হালাল-হারামের প্রশ্ন তোলা অবান্তর। কারণ তারা তো ইসলামের অধীন নয়। যাই-ই হোক, পোষ্টটা কিন্তু খুবই আলোচি্ত হওয়ার বিষয়। (Y) (Y) (Y)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তদুপরি ১৯, তাইলে তো যেসব মুস্লিম কাফেরগো দেশে চাক্রী করে সে বেতন্ডিও হারাম হওনের কথা। সব মুস্লিম গো তাইলে কাফেরগো দেশ ছাইড়া যার যার নিজ দেশে ফেরত যাওন উচিত। বাই দ্য ওয়ে, পোস্ট লেখক আর আপনি কোন দেশে থাকেন জানি? :-B :-B

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তদুপরি ১৯,



একমত।



বাংলাদেশের অবিলম্বে উচিত সব কাফির নাসারা নাস্তিক দেশের সাহায্য ফেরত পাঠায় দেওয়া।
------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@তদুপরি ১৯, ছাগলা পোস্ট।এই লোককে পাত্তা দেয়া মারাত্মক ভুল। X(
sharmaluna

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইদানীং তুষার, বাংলা কথা, বাকরুদ্ধ, হাই ভোল্টেজ প্রমুখদের ব্লগ পড়ে আমার মনে অন্য সন্দেহ উকি দিচ্ছে। আমার ধারনা এরা রিভার্স খেলছে।

কোন কারনে ধর্মকে অবমাননার একটা ক্ষেত্র তৈরি করছে এরা।

তা না হলে ধর্ম নিয়ে এরকম আবালীয়, বাল ছাল মার্কা, হাস্যকর, উদ্ভট, অকল্পনীয় রকমের ছ্যাবলামী মার্কা, সামান্যতম চিন্তাহীন, বলদীয়, গর্ধভতস্য, তুচ্ছ, সর্বপোরি ছাগু টাইপের এত পোস্ট কেন আসছে। ধর্ম মানুষকে একচোখা বানাতে পারে সেটা ঠিক (ব্যতিক্রমও আছে), কিন্তু তাই বলে এত নিচু পর্যায়ের ছাগলামিতে নামিয়ে আনতে পারে শিক্ষিত মানুষকে, এটা বিশ্বাস করতে আমার সত্যিই কষ্ট হচ্ছে। এসব ছ্যাব্লামির বিরুদ্ধে লেখলেই আবার অনুভুতিতে কুতকুতি লাগা শুরু হবে। কিছু আস্তিক আছেন যারা এর চেয়ে সামান্য উন্নত চিন্তা করেন। তারা এখন কই? তারা কেন ধর্মকে পচানোর এরকম ব্লগকে সমালোচনা করছেন না?



এরকম বালের পোষ্ট দেখলেই আমার খালি হাত নিশপিশ করে ধর্মকে নিয়ে গুতাতে। অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করার চেষ্টা করি।



ওহে আস্তিককুল, এই ছ্যাব্লামির জবাবে আমি যে মোহাম্মদ ও তার কল্পিত খোদাকে গুতিয়ে কিছু লিখছিনা সে জন্য অন্তত ধন্যবাদ দিন আমাকে। এবার তো নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কেন নাস্তিকরা ধর্ম নিয়ে গুতাগুতি করে?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রকৃতপক্ষে ইউরোপ-আমেরিকায় বিভিন্ন বিষয়ের উপর যে সমস্ত বইগুলো পড়ানো হয়, আমাদের দেশেও তাই রয়েছে। বরং দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের দেশ থেকে যা শিখে যাওয়া হয় তার অনেক কিছুই সেখানকার শিক্ষকরাও জানে না। তাছাড়া আমাদের দেশের শিক্ষার্থী মুসলমানদের ব্রেইন তুলনামূলকভাবে তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভাল। যার কারণে দেখা যায়, যে সকল শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়া-শুনা করে দেশে এসে থাকে তারা তেমন উল্লেখযোগ্য কিছুই শিখে আসতে পারে না। তারপরও এক প্রকার হুজুগ প্রবণতার কারণেই এ দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমায় কাফির, মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যদের দেশে।
apni kon deshe scholarship niue giechen bolben ki? :-$
------------------------------------------
যতক্ষন দেহে আছে প্রাণ
প্রানপনে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রিভার্স এলার্ট!
------------------------------------------------------------------------------------
হিজ নেম ইজ - পোলা, দেশী পোলা ;
ম্যান উইথ এ ডাবল-ও লাইসেন্স ; টানে সবাইকে, বাঁধনে জড়ায় না

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক। ঈমানহারা হতে হলে স্কলারশীপ নিয়ে বিদেশে যেতে হবে কেন? দেশে বসেও তো সম্ভব। বেহায়াপনা শিখতে ইউরোপ-আমেরিকায় যাওয়ার দরকার নেই , বাংলাদেশও কম যায় না......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@সহজচিন্তা, স্কলারশিপ কেউ ঈমানদারী আর বেহায়াপনার উপর দেয় বা নেয়া যায় এইটা জানলাম আপনের মত বেহায়ার কাছ থেকে প্রথম।নিজে না বেহায়া হইলে এত বড় তথ্যটা দিলেন কেমনে?   



বাংলাদেশ চোড় চোট্টামী আর দূর্নীতিতে বেশি যায় দুনিয়ার হগলডির চাইতে।আহেন,হগলডির লাইগা চোড় চোট্টামী আর দূর্নীতির উপর স্কলারশিপ খুলি। (N) :!! :-w X( 
sharmaluna

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বালের আলাপ, আপ্নের মতন ভোদাইরাই এইসব করে।।।






প্রকৃতপক্ষে ইউরোপ-আমেরিকায় বিভিন্ন বিষয়ের উপর যে সমস্ত বইগুলো পড়ানো হয়, আমাদের দেশেও তাই রয়েছে। বরং দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের দেশ থেকে যা শিখে যাওয়া হয় তার অনেক কিছুই সেখানকার শিক্ষকরাও জানে না।




(N) (N) (N) (N) (N) (N)    (N) (N)



আপ্নে কখনো পাইছেন নি স্কলারশিপ?? পান নাই মনে হয়, পাইলে বেবাকতের আগে আপ্নেই লুংগি তুইলা দৌড়াইবেন।।।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@অচেনা পাখি, হ্যা হ্যা হ্যা,ঠিক ধরছেন। এগো বস গোলাম আজমের পোলাপাইনগুলো হেই কাফেরের দ্যাশে গিইয়া নাছারা মাইয়্যাগুলান দ্যাখতাছে আর .....ফ্যালাইতাছে।আর এ্যারা না দ্যাখতে পাইয়া দুঃখে ব্লগে ল্যাদাইত্যাছে....... (Y) (Y)
/* বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনও পিছে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি হাদিস কোরান চষে।*/

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তুমি না হইলেই তো হয়। এর লিগা কান্নাকাটির কি দরকার। তুমিতো দুদু খাও। ফাইজলামি না মারাইয়া নিজে ঠিক হও। পৃথিবী বেবাক চোর এই দেশে আর চোট্টা গুলি সব মুসলমান। ইহুদি খৃষ্টানগো মধ্যে এত চোর ভিক্ষুক নাই। তোমারে পটায় আর তুমি পইটা যাও। দোষ দাও হেগ। ছাগলামীর আর জায়গা পাও না। যাও গিয়া কাঠালপাতা খাও গিয়া।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাশাপাশি মুসলমানদেরকে কাফিরদের উপাসনালয়ে তাদের তথাকথিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে চাপ প্রয়োগ পর্যন্ত করে থাকে এইসব কাফির, মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যরা। নাঊযুবিল্লাহ!




কি লিখেছেন বুঝে লিখেছেন তো?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রিভার্স এ্যালার্ট।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@হাই ভোল্টেজ, কমেন্ট পইড়া কি লো ভোল্টেজ হইয়া গেছন ? এই আ*ল মার্কা পোষ্টে এত গুলো কমেন্টের আর দাম থাকলো না। হুদাই টাইম নষ্ট :!! X(
____________________________

মসজিদ ভাঙে ধার্মিকেরা, মন্দিরও ভাঙে ধার্মিকেরা, তারপরও তারা দাবি করে তারা ধার্মিক, আর যারা ভাঙাভাঙিতে নেই তারা অধার্মিক বা নাস্তিক।.......... হুমায়ুন আজাদ
____________________________

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেশপ্রেমের প্রবল প্রসব বেদনা নিয়ে আজই রেজিট্রেশান করে চলে এলেন আবাল হাই ভোল্টেজ। পরপর দুই পোষ্ট।



(N)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@পুরোকবি, মনে লই আরবী কথা বা তু-ষাড় হুজুরের জিন্দালাশ আইসা পুস্ট মারছে হেইখানে.....
/* বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনও পিছে,
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি হাদিস কোরান চষে।*/

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই পোস্ট ১৮০০ সালে উপমহাদেশের হিন্দুদের মাঝে যে গোড়ামী ছিল তা মনে করিয়ে দিল।আজ হিন্দুরা অনেকটা না বরং প্রায় পুরোপুরি বলা যায় সে গোড়ামী কাটিয়ে উঠেছে।অথচ এখন এরকম প্রায় ২০%(যে হারে জন্গীবাদের উল্থান হচ্ছে তাতে এই সংখা বাড়বে বই কমবে না)মুসলমানরা হাটছে ঠিক সেই পথে,২০০ বছর আগের পথ।



এই ছাগলগুলোর মানুষ হতে হিন্দুদের মতই আরো ২০০ বছর লাগবে বৈকি! X( :-B (N) >:) Sad
sharmaluna


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মনপবন,



হিন্দুরা আজকের দিনেও পুরো কুসংস্কারমুক্ত হয়েছে বলা যায় না। তবে নিঃসন্দেহে বলা যায় যে মুসলমানদের মত নিজের পায়ে কুড়াল মেরে কুসংস্কার পালন করার বদঅভ্যাস থেকে মুক্ত।
------------------------------------------------
পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত। আস্তিক এবং নাস্তিক; আমি অবশ্যই আস্তিকের দলে। যে কম্পিউটরে ব্লগিং করছেন সেও কিন্তু হতে পারে এক ভয়াবহ ঘৃন্য নাস্তিক, আজই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মনপবন,

এই ছাগলদের মানুষ হবার আসলে কোন সম্ভাবনা নাই। সে আশা বৃথা। এদের মানুষ হবার পথ ১৪০০ বছর আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। সেই পথে দুখানি বড় বড় বাধা আছে। কোরান এবং হাদীস।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@আদিল মাহমুদ, kotha sotto.Hindura bortomane onek modern.

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@মনপবন, আরে ভাই কথা না বুইঝা প্যাঁচান ক্যান? আমি কি বলছি নাকি যে, ঈমানদারী ও বেহায়াপনার উপর কেউ স্কলারশীপ দেয়? লেখকের দাবী অনুযায়ী, ইউরোপ আমেরিকায় যেসব স্কলারশীপ দেয়া হয় তা আমাদের ছাত্রদের ঈমানহারা, বেহায়া করার ষড়যন্ত্র। লেখক আরো দাবী করেছেন যে, ঐসব দেশে পড়াশুনা করতে যাওয়া মানেই ব্রেইনওয়াশ হয়ে কুফরি, শিরক ইত্যাদি শেখা। যুক্তি হিসেবে তিনি সেসব দেশের বিভিন্ন প্রথার উল্লেখ করেছেন। এই কথার জবাবে আমি বলতে চেয়েছি "নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক । বিদেশে গেলেই ঈমানহারা হয়ে যাবে এমন ধারনা ঠিক না । দেশে থেকেও ঈমান ঠিকরাখা সহজ নয় " এটাই ছিল আমার ঐ মন্তব্যের সারকথা। আর আপনি কি বুঝে কি বললেন, কিছুই বুঝলাম না। এইবার দয়া করে আপনার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিয়াভাই কি শারাব পান করিছেন, একটা টানা ঘুম দিয়া লন, সব ঠিক হইয়া যাইবো
=================
দেশপ্রেম একটি অসাধারণ প্রেম। তবে সাধারণ প্রেমের মতো এ প্রেমেও পরকীয়া ঢুকে পড়েছে। ISI এবং RAW নামের দু' প্লেবয় নাকি দেশপ্রেমের বাজার মাতিয়ে রেখেছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শেখ হাসিনার মতো এমন গাজাখুড়ী গল্পগুলো কেন বলেন????..



প্লিজ অফ যান .... আর এটা বাংলাদেশের কুরররররররবা সংসদ নয়.





এটা ব্লগ.....।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানুষ কত বিচিত্র! এ ধরণের লেখা লেখবার সময় লেখক ঠিক কি চিন্তা করছিলেন তা বোঝা গেলনা। তুখোড় ধরণের আজগুবী একটা লেখা। চালিয়ে জান, কল্পকাহিনীকার হয়ে যাবেন শীঘ্রই আশা করি।



ধন্যবাদ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্যাফক বিনোদন....বা... জি.... রে....যা লেখলেন আমারতো কালকেই টিকেট কাটার ইচ্ছা করতাছে... :] :]

আপনার ভোল্টেজ যে আসলেই হাই তাতে কোন সন্দেহ নাই.... Shock

তয় দেশের বহত্তর উপকারের সার্থে মানুষের ইমান হেফাজতের যে দায়িত্ব আপনি নিয়েছেন তার জন্য আপনাকে (F) (C)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মোটামুটি ৮০ ভাগ নিশ্চিত রিভার্স।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উপর দিকে থুথু দিলে নিজের গায়েই পড়ে।



"মানুষেরে ঘৃণা করি, ও’ কারা কোরান, বেদ, কাইবেল চুম্বিছে মরি মরি"



মানুষেরে ঘৃণা করা মানে নিজেকে ঘৃণা করা। আবশ্য নিজেকে মানুষ বলে

মনে করা দরকার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তোর মায়েরে ……………………… (Y)
___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

 (N) (N) (N) 
-- কেমন সুর

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

[...] ১। স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

[...] মজলিসে শূরা পোস্টের নির্বাচিত কমেন্ট সংকলন Filed under: Uncategorized by brattobalok — Leave a comment April 30, 2011 <big>গত কয়েকদিন ধরে ব্লগে আপনারা এই পোস্টগুলো দেখেছেন এবং প্রাণ খুলে হেসেছেন। ১। স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

[...] মজলিসে শূরা পোস্টের নির্বাচিত কমেন্ট সংকলন Filed under: Uncategorized by brattobalok — Leave a comment April 30, 2011 <big>গত কয়েকদিন ধরে ব্লগে আপনারা এই পোস্টগুলো দেখেছেন এবং প্রাণ খুলে হেসেছেন। ১। স্কলারশিপের নামে মুসলমানদের চরিত্রহ